Ultra Protagonist's World

প্রারম্ভিক

ডায়েরির শেষ দিক থেকে ২৩

এখন হাওয়া দিলে আর খাতার পাতা উলটায় না ।
বারান্দায় জমে থাকা পাইন গাছের শুকনো পাতা এলোমেলো হয় ,
আর দিন উলটে যায় ।
বহুদিন অবধি মা পাকা চুল দেখলে তুলে দিতেন মাথা থেকে ,
বলতেন জল না খেলে লিভারের দোষে চুল সাদা হয় ।
এখন জল খাই অনেক, মার -ও অভিযোগ নেই কোনও ।
ঘড়ির শব্দ শুনেই চুল কালো থেকে ধূসর হয়, ধূসর থেকে সাদা ।
আর ওদের ওপড়াই না, আঁচড়ে ঢাকাও দিই না ।
বরং আভিজাত্য বলে মেনে নিই , ও নামেই  ডাকি;
ওতেই খুশি হই , খুশি থাকি ।

Advertisements

About Anand Sehgal

A graduate researcher, A writer, A poet, A singer, A composer,An actor..............An artist by heart

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on May 2, 2016 by in কবিতা, সমকাল and tagged , .
%d bloggers like this: