Ultra Protagonist's World

প্রারম্ভিক

বিষণ্ণ বহমানতা (২য়)

আজ অফিসে আসবার সময় ফুটব্রিজ দিয়ে রাস্তা পেরুচ্ছিলাম । নীচে হঠাৎ সিগ্নাল সবুজ হবার পরেকার শশব্যস্ততার মধ্যে থেকে প্রাণভেদী আর্তনাদ ভেসে আসাতে তাকিয়ে দেখলাম একটা স্বাস্থ্যবান কুকুর দ্রুতগতির অটোর ধাক্কা খেয়ে মুখ থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত উঠে লুটিয়ে পড়েছে । খুব সম্ভবত ফুসফুস রাপচার করে গেছিল এবং মিনিট দুয়েকে মারা যাবে। শেষবার এমন দেখেছিলাম ক্লাস টু তে পড়ার সময়, স্কুল থেকে ফেরার পথে । টিটাগড় ব্রহ্মস্থানের সামনে , বি টি রোডের ওপরে । সেক্ষেত্রে দৃশ্যটি আরও বীভৎস ছিল । ধাক্কার ইমপ্যাক্টে কুকুরটি দু তিনটে পাক খেয়ে ছিটকে পড়ে ।
এখানে আশেপাশের অনেক কটা কুকুরই আসা যাওয়ার পথে উরুতে মাথা সাঁটিয়ে আদর খেয়ে যায় , প্রায় রাস্তা আটকেই । তাদের সঙ্গে দৈনন্দিন সখ্যতার যোগ। এখনো জানি না আজকের দুর্ঘটনায় আমার কোনও বন্ধু চলে গেল কিনা । বেশ মন খারাপ ।

Advertisements

About Anand Sehgal

A graduate researcher, A writer, A poet, A singer, A composer,An actor..............An artist by heart

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on March 25, 2018 by in ছোট নিবন্ধ, সমকাল and tagged , .
%d bloggers like this: